• ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার ১৫ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

TMC MLA

রাজ্য

যে দলে ভিড়ছেন ২০ সাংসদ, সেই দলের প্রতিষ্ঠাতাই এক মাস আগে ছেড়েছেন দল! সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

রবিবার সন্ধ্যার পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে হঠাৎ করেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে একটি নতুন রাজনৈতিক দলের নাম। তৃণমূলের একাধিক বিদ্রোহী সাংসদ এই দলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে খবর ছড়াতেই শুরু হয়েছে ব্যাপক রাজনৈতিক জল্পনা (NCPI)। বিশেষ করে সদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, মালা রায়ের মতো অভিজ্ঞ সাংসদদের নাম সামনে আসার পর কৌতূহল আরও বেড়েছে।তবে সবচেয়ে বড় চমক অন্য জায়গায়। যে দলটিকে ঘিরে এত আলোচনা, সেই দলের প্রতিষ্ঠাতাই নাকি এক মাস আগে দল ছেড়ে দিয়েছেন (NCPI)। জানা গিয়েছে, হাওড়ার বাসিন্দা এবং পেশায় আইনজীবী শিউলি কুণ্ডু আরও দুজন সহযোগীকে নিয়ে ২০২২ সালে এই রাজনৈতিক দল গড়ে তোলেন (NCPI)। হাওড়ার সাঁকরাইলে দলের সূচনা হয়েছিল। পরের বছর ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী দেয় দলটি। একই বছরে পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত নির্বাচনেও অংশ নেয় তারা।দলের প্রতিষ্ঠাতা এবং সভানেত্রী ছিলেন শিউলি কুণ্ডু। সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন সৈকত দাস। পরে দলের সাংগঠনিক বিস্তার ঘটাতে একটি কমিটিও গঠন করা হয়। শিউলির স্বামী উত্তীয় কুণ্ডুও দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।তবে শিউলি কুণ্ডুর ( (NCPI)) দাবি, প্রায় এক মাস আগে তিনি ব্যক্তিগত কারণে দল থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। বর্তমানে তিনি আইন পেশার পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কাজে বেশি সময় দিচ্ছেন। বিশেষ করে মহিলাদের নিয়ে বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে কাজ করছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।২০ জন সাংসদ এই দলে যোগ দিতে পারেন বলে খবর ছড়িয়ে পড়ার পর শিউলি কুণ্ডু বলেন, দলটি বড় পরিসরে আলোচনায় আসছে শুনে তাঁর ভালো লাগছে। তবে কোনও সাংসদ এর আগে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেননি বলেও দাবি করেছেন তিনি।এদিকে সোমবার সকালে হাওড়ার সংশ্লিষ্ট ঠিকানায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি ঘিরেও চাঞ্চল্য ছড়ায়। স্থানীয়দের দাবি, সকাল থেকেই কয়েক দফায় সেখানে বাহিনীর যাতায়াত দেখা যায়। এলাকার বাসিন্দাদের একাংশ জানিয়েছেন, কুণ্ডু দম্পতি দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজে যুক্ত ছিলেন।২০ জন সাংসদের সম্ভাব্য যোগদান এবং দলটির প্রতিষ্ঠাতার পদত্যাগ এই দুই ঘটনাকে ঘিরে এখন রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে এই সমীকরণ কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর সকলের।

জুন ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ধর্নামঞ্চে নিঃসঙ্গ মমতা, বিদ্রোহীদের শক্তি বাড়ছে? তৃণমূলে ভাঙনের জল্পনায় তপ্ত বাংলা রাজনীতি

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মঞ্চে এখন সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্নতৃণমূল কংগ্রেস কি বড় ধরনের ভাঙনের মুখে? বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের এক মাসও পূর্ণ হয়নি, তার আগেই দলের অন্দরে অসন্তোষ, সই-জালিয়াতি বিতর্ক, বিধায়কদের অনুপস্থিতি এবং বহিষ্কৃত নেতাদের সক্রিয়তা নতুন করে রাজনৈতিক সমীকরণকে জটিল করে তুলেছে।মঙ্গলবার ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্না কর্মসূচি সেই জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছে। কারণ, রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পাশে দেখা গেল মাত্র আটজন বিধায়ক এবং ছয়জন সাংসদকে। একসময় যে দল রাজ্যের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু ছিল, সেই দলের শীর্ষ নেত্রীর কর্মসূচিতে জনপ্রতিনিধিদের এই সীমিত উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।তৃণমূল সূত্রে দাবি, ভোট-পরবর্তী রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং বিরোধী কণ্ঠরোধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই এই ধর্নার আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু কর্মসূচির রাজনৈতিক গুরুত্বকে ছাপিয়ে যায় উপস্থিতির হিসাব। বিশেষ করে এমন এক সময়ে, যখন বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে কেন্দ্র করে পরিষদীয় দলে ভাঙনের জল্পনা তুঙ্গে।ধর্নামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি বিজেপি সরকার এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদের ভয় দেখানো হচ্ছে, তৃণমূল ছাড়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে এবং গণতান্ত্রিক অধিকারের উপর আঘাত হানা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বিরোধী দলনেতা নির্বাচন নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।সই জালিয়াতির অভিযোগ প্রসঙ্গে মমতা স্পষ্ট বার্তা দেন। তাঁর দাবি, যাঁরা এখন নিজেদের সই অস্বীকার করছেন, তাঁদের স্বাক্ষরের ভিডিও প্রমাণ দলের কাছে রয়েছে। প্রয়োজনে ফরেনসিক পরীক্ষারও দাবি জানান তিনি। তবে তাঁর বক্তব্য, এই বিতর্ককে সামনে এনে বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া আটকে রাখা উচিত নয়।অন্যদিকে, বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের অবস্থানে অনড়। তিনি জানিয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁর ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা অটুট থাকলেও বর্তমান তৃণমূল তার পুরনো চরিত্র হারিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, দল কর্পোরেট সংস্কৃতিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং সাধারণ কর্মীদের মতামত গুরুত্ব পাচ্ছে না। একই সঙ্গে তিনি দলের একাধিক নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও সাংগঠনিক ব্যর্থতার অভিযোগও তোলেন।রাজনৈতিক মহলের নজর এখন সংখ্যার অঙ্কে। বিজেপি নেতা ও মন্ত্রী তাপস রায়ের দাবি, প্রায় ৫০ জন তৃণমূল বিধায়ক বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। যদিও ঋতব্রত প্রকাশ্যে সেই দাবি মানতে চাননি। তবুও বারবার উঠে আসছে একটি প্রশ্নযদি সত্যিই এত বড় একটি গোষ্ঠী সক্রিয় হয়ে থাকে, তবে কি তৃণমূলের পরিষদীয় দলে বড়সড় ভাঙন আসন্ন?এদিকে তৃণমূলের তরফে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ আনা হয়েছে। কুণাল ঘোষ স্পষ্ট ভাষায় বলেন, যাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ও প্রতীক ব্যবহার করে নির্বাচিত হয়েছেন, তাঁদের এই অবস্থান জনগণের রায়ের প্রতি অসম্মান।পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করেছে বিধানসভার স্পিকারকে ঘিরে নতুন বিতর্ক। তৃণমূলের অভিযোগ, স্পিকারের অনুমতি ছাড়া বিরোধী সদস্যদের কোনও চিঠি গ্রহণ করা হচ্ছে না। বিধানসভার কার্যপ্রণালী নিয়ে এই অভিযোগও রাজনৈতিক সংঘাতকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলের বর্তমান পরিস্থিতিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। তিনি দাবি করেন, ধর্মতলার কর্মসূচিতে মানুষের উপস্থিতি অত্যন্ত কম ছিল এবং তৃণমূল এখন কার্যত সংগঠনগত সংকটে ভুগছে। পাশাপাশি সই-জালিয়াতি ইস্যুতে তিনি কড়া ভাষায় প্রাক্তন শাসকদলকে আক্রমণ করেন।সব মিলিয়ে বাংলার রাজনীতিতে এখন এক অস্থির সময় চলছে। একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখার চেষ্টা করছেন, অন্যদিকে বিদ্রোহী শিবির ক্রমশ নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করছে। সংখ্যার অঙ্ক এখনও প্রকাশ্যে না এলেও, রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে আগামী কয়েকদিনই নির্ধারণ করবে তৃণমূলের ভবিষ্যৎ পথচলা এবং পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী রাজনীতির নতুন রূপরেখা।

জুন ০২, ২০২৬
রাজ্য

মধ্যরাতে ঘিরে ফেলল পুলিশ! পালাতে গিয়েই ধরা প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক, চাঞ্চল্য কালনায়

পূর্ব বর্ধমানের কালনায় মধ্যরাতে নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হল। প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক দেবপ্রসাদ বাগকে আটক করেছে পুলিশ। সূত্রের খবর, সোমবার গভীর রাতে তাঁর বাড়ি ঘিরে ফেলে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরা। অভিযোগ, তাঁর বাড়িতে বিপুল পরিমাণ ত্রাণসামগ্রী মজুত রয়েছে বলে পুলিশের কাছে তথ্য ছিল।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযানের সময় বাড়ির পিছনের দরজা দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন দেবপ্রসাদ বাগ। সেই সময়ই তাঁকে আটক করা হয়। শুধু তিনিই নন, কালনা দুই নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি প্রণব রায়কেও আটক করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়তেই রাতেই প্রাক্তন বিধায়কের বাড়ির সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এলাকায় চোর চোর স্লোগানও শোনা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী।দেবপ্রসাদ বাগের বোন সংবাদমাধ্যমকে জানান, প্রথম জীবনে তাঁর ভাই বিদ্যুতের মিস্ত্রির কাজ করতেন। পরে কংগ্রেসের কাউন্সিলর হন এবং এরপর তৃণমূলে যোগ দেন। তিনি দাবি করেন, তাঁদের মধ্যে দীর্ঘদিন কোনও পারিবারিক সম্পর্ক নেই। একই সঙ্গে তিনি বলেন, বাড়িতে ভূগর্ভস্থ ঘর রয়েছে বলে শুনেছি। এত সম্পত্তি সৎ পথে হয়েছে বলে আমার মনে হয় না।স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রাক্তন বিধায়কের বিশাল বাড়ির ভিতরে একটি গোপন ভূগর্ভস্থ ঘর রয়েছে। সেখানে ত্রিপল-সহ বিভিন্ন সামগ্রী মজুত রাখা হয়েছিল বলেও দাবি উঠেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।এদিকে দেবপ্রসাদ বাগের বিরুদ্ধে পুলিশি হয়রানি, ভয় দেখানো এবং বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের অভিযোগও সামনে এসেছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে এখনও পর্যন্ত তাঁর পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের দপ্তরে গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে হাজির ঋতব্রত, শুরু নতুন জল্পনা

রাজ্য রাজনীতিতে তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে নতুন করে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে দলের ভাঙন নিয়ে নানা আলোচনা চলছিল। মঙ্গলবার সেই জল্পনা আরও উসকে দিলেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথি নিয়ে তিনি বিধানসভায় পৌঁছনোর পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।সূত্রের খবর, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় প্রায় ৫০ জন বিধায়কের সমর্থনপত্র নিয়ে বিধানসভার কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন। যদিও এদিন স্পিকার দিল্লিতে থাকায় তাঁর সঙ্গে দেখা সম্ভব হয়নি। সেই কারণে বিধানসভার সচিবের কাছেই নথি জমা দেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, ওই চিঠিতে নতুন নেতৃত্বের অধীনে তৃণমূলের একটি পৃথক গোষ্ঠী গঠনের কথা উল্লেখ থাকতে পারে। এমনকি দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে ভবিষ্যতে দাবি তোলার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি।এই জল্পনার মধ্যেই রাজ্যের মন্ত্রী তাপস রায়ের একটি সমাজমাধ্যম পোস্ট ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তিনি লেখেন, তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে চুরমার। প্রায় ৫০ জন বিধায়ককে নিয়ে স্পিকারের কাছে পৌঁছে গিয়েছেন ঋতব্রত। খেলা হবে। এই পোস্টের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা আরও তীব্র হয়েছে।দুই দিন আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা বিধায়ক বৈঠকে দলের অধিকাংশ বিধায়ক অনুপস্থিত ছিলেন। ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে মাত্র কুড়িজনের উপস্থিতি নতুন প্রশ্ন তুলেছিল। এরপর থেকেই দলের অন্দরে অসন্তোষ ও ভাঙনের জল্পনা আরও জোরালো হয়।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, মহারাষ্ট্রে শিবসেনা ও এনসিপির মতো পরিস্থিতি বাংলাতেও তৈরি হতে পারে কি না, সেই প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে দল ভাঙার কথা স্বীকার করেনি। তবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন অনেকে।

জুন ০২, ২০২৬
রাজ্য

‘বাড়িতে হামলা হল, দল ফোনও করল না’! তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন প্রাক্তন মন্ত্রী

রাজ্যে ক্ষমতা হারানোর এক মাসের মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে অসন্তোষের সুর আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সই সংক্রান্ত বিতর্ক, দুই বিধায়কের বহিষ্কার এবং সাংগঠনিক অস্থিরতার আবহে এবার দলের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ প্রকাশ করলেন প্রাক্তন মন্ত্রী ও মধ্য হাওড়ার বিধায়ক অরূপ রায়।সোমবার নিজের বাড়িতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অরূপ রায় অভিযোগ করেন, গত শনিবার তাঁর বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটলেও দলের তরফে কেউ তাঁর খোঁজ পর্যন্ত নেননি। এমনকি একটি ফোনও আসেনি বলে দাবি করেছেন তিনি।অরূপ রায়ের কথায়, এই পরিস্থিতিতে দলের প্রথম কাজ হওয়া উচিত ছিল আক্রান্ত কর্মী এবং নেতাদের পাশে দাঁড়ানো। তাঁর দাবি, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে দলের সাধারণ কর্মী থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধিরা হামলার শিকার হচ্ছেন, কিন্তু দল তাঁদের পাশে দাঁড়াচ্ছে না। এর ফলে কর্মীদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে।তিনি আরও বলেন, অতীতেও দল কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়েছে। এমন সময় এসেছে যখন বিধানসভায় খুব কম আসন পেয়েও তৃণমূল লড়াই চালিয়ে গিয়েছে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। তাঁর মতে, সংগঠন দুর্বল হয়ে পড়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।প্রসঙ্গত, গত শনিবার মধ্য হাওড়ার কাসুন্দিয়া এলাকার অরূপ রায়ের বাড়ির সামনে উত্তেজনা ছড়ায়। তাঁর বাড়ির সামনের একটি গুদামঘর থেকে ত্রিপল, কম্বল, শাড়ি, ধুতি-সহ বিভিন্ন ত্রাণসামগ্রী উদ্ধার হওয়ার অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভও দেখানো হয়।ঘটনার পর অরূপ রায় দাবি করেছিলেন, ওই ত্রাণসামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার জন্য তিনি আগেই প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছিলেন। পরে প্রশাসন সেগুলি সরাতে গেলে বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়।সাংবাদিক বৈঠকে দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়ছে কি না, সেই প্রশ্নও ওঠে। উত্তরে কয়েক মুহূর্ত নীরব থাকার পর অরূপ বলেন, এই সময়ে দলের উচিত ছিল আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ানো। কিন্তু সেই দায়িত্ব দল সঠিকভাবে পালন করতে পারেনি।সামনেই পৌরসভা নির্বাচন। সেই নির্বাচনে তিনি সক্রিয়ভাবে প্রচারে নামবেন কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত দিয়েছেন অরূপ রায়। তাঁর বক্তব্য, এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। তবে তিনি এখনও নিজের অবস্থান চূড়ান্ত করেননি।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, ক্ষমতা হারানোর পর তৃণমূলের অন্দরে যে অস্বস্তি এবং অসন্তোষ বাড়ছে, অরূপ রায়ের এই মন্তব্য তারই আরও একটি বড় ইঙ্গিত। পৌরসভা নির্বাচনের আগে এই পরিস্থিতি দলের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

বহিষ্কারের পর বিস্ফোরক সন্দীপন! ‘সই জাল হয়েছে, অভিযোগ না করে উপায় ছিল না’

সই সংক্রান্ত বিতর্কে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে। দলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তোলার পর ইতিমধ্যেই বহিষ্কৃত হয়েছেন এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা এবং উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বহিষ্কারের পরও নিজের অবস্থানে অনড় রয়েছেন সন্দীপন সাহা। তাঁর দাবি, নিয়ম বহির্ভূত কাজ হয়েছে বলেই তিনি অভিযোগ জানাতে বাধ্য হয়েছেন।সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, দুই বিধায়কের অভিযোগের ভিত্তিতেই সই সংক্রান্ত ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এরপরই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়।সন্দীপন সাহার অভিযোগ, গত ৬ মে তৃণমূলের একটি বৈঠকে বিধায়কদের উপস্থিতিতে আলোচনা হলেও সেখানে বিরোধী দলনেতাকে নিয়ে কোনও প্রস্তাব গৃহীত হয়নি। কিন্তু পরে ১৯ মে যে রেজোলিউশন জমা দেওয়া হয়, তাতে ৬ মে উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। তাঁর দাবি, কয়েকজন বিধায়ক ওই বৈঠকে উপস্থিত না থাকলেও তাঁদের নাম রেজোলিউশনে যুক্ত করা হয়েছে, যা নিয়মবিরুদ্ধ এবং অনৈতিক।সন্দীপনের বক্তব্য, যাঁরা বৈঠকে ছিলেন না, তাঁদের উপস্থিত দেখিয়ে রেজোলিউশন জমা দেওয়া হয়েছে। এটি কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও দাবি করেন, উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর দিয়েই রেজোলিউশন জমা দেওয়া সম্ভব ছিল। তা না করে কেন অন্য পথ নেওয়া হল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি। এই ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন সন্দীপন। তাঁর দাবি, এত বড় ভুলের দায় এড়ানো যায় না।দলকে না জানিয়ে কেন তিনি বিধানসভা কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেছিলেন, সেই প্রশ্নেরও জবাব দিয়েছেন সন্দীপন। তাঁর কথায়, একজন বিধায়ক হিসেবে তিনি সংবিধান ও নিয়ম মেনে চলার শপথ নিয়েছেন। সেই দায়িত্ব থেকেই তিনি অভিযোগ জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, দলের ভিতরে কোনও অভিযোগ বা প্রশ্নের সঠিক উত্তর পাওয়া যায় না বলেই তিনি অন্য পথ বেছে নিয়েছেন।সন্দীপন আরও অভিযোগ করেন, দলের মধ্যে খোলামেলা আলোচনা করার পরিবেশ নেই। কোনও প্রশ্ন তুললে তার উত্তর না দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া হয়। ফলে দলের ভিতরে নিজের মতামত বা আপত্তি জানানো কার্যত অসম্ভব হয়ে উঠেছে বলে দাবি তাঁর।বহিষ্কৃত এই বিধায়কের কথায়, সই সংক্রান্ত বিতর্ক নিয়ে সাধারণ মানুষ তাঁদের প্রশ্ন করছেন। সেই প্রশ্নের উত্তর দেওয়াও কঠিন হয়ে উঠছে। তাই বিষয়টি প্রকাশ্যে আনা এবং অভিযোগ জানানো ছাড়া তাঁর সামনে আর কোনও পথ খোলা ছিল না বলেই দাবি করেছেন সন্দীপন সাহা।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বৈঠকে অনুপস্থিতি থেকে বহিষ্কার! কী এমন ঘটল দুই বিধায়কের সঙ্গে?

তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বহিষ্কার করা হল দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহাকে। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি দলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলার পর তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, তৃণমূলের দুই বিধায়কের অভিযোগের ভিত্তিতেই বিধানসভার প্রিন্সিপাল সেক্রেটারির কাছে সই সংক্রান্ত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। সেই দুই বিধায়কের নাম হিসেবে তিনি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহার নাম উল্লেখ করেন। এই মন্তব্যের কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের কথা জানায় তৃণমূল কংগ্রেস।দলের তরফে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, বারবার দলীয় নেতৃত্বের ডাকা গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অনুপস্থিত থেকেছেন দুই বিধায়ক। পাশাপাশি তাঁদের বিরুদ্ধে দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগও আনা হয়েছে। সেই কারণেই তাঁদের বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।গত কয়েক মাস ধরে তৃণমূলের অন্দরে একাধিক ঘটনা নিয়ে অস্বস্তি বাড়ছিল। কোথাও বোর্ড ভেঙে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে, কোথাও আবার কাউন্সিলরদের পদত্যাগ ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এর মধ্যেই সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মাত্র কুড়ি জন বিধায়কের উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা তৈরি করে।এর আগে দলীয় বৈঠকেই প্রকাশ্যে অসন্তোষের কথা জানিয়েছিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহা। তাঁদের সঙ্গে কুণাল ঘোষও দলের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। দলের ভিতরে আরও খোলামেলা আলোচনা এবং মত প্রকাশের সুযোগ থাকা উচিত বলেই দাবি করেছিলেন তাঁরা।পরিস্থিতি সামাল দিতে পরে তাঁদের সঙ্গে আলাদা বৈঠক করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রায় চল্লিশ মিনিট ধরে বৈঠকে তাঁদের বক্তব্য শোনেন তিনি। এরপর তৃণমূলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, দলের ভিতরে প্রত্যেকের মতামত জানানোর অধিকার রয়েছে।তবে রাজনৈতিক জল্পনা আরও বাড়ে যখন বিধানসভার অধ্যক্ষের কক্ষের সামনে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে দেখা যায়। পরে দিল্লিতেও শুভেন্দুর সঙ্গে তাঁদের সৌহার্দ্যপূর্ণ কথাবার্তার ছবি সামনে আসে। যদিও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, সেটি শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল। কিন্তু সেই ঘটনার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত সেই জল্পনার মধ্যেই দুই বিধায়ককে বহিষ্কার করে কড়া বার্তা দিল তৃণমূল কংগ্রেস।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

রাতের অন্ধকারে হামলা! প্রবীণ নেতার বাড়ি ঘিরে চাঞ্চল্য, আতঙ্কে পরিবার

ভোট মিটতেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অশান্তির খবর সামনে আসছে। সেই তালিকায় এবার যোগ হল ভবানীপুরের একটি ঘটনা। প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর বাড়ির সামনে হুজ্জুতি হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।জানা গিয়েছে, ভবানীপুরের রূপনারায়ণ নন্দন লেনে শোভনদেবের বাড়ির সামনে মঙ্গলবার রাতে এই ঘটনা ঘটে। এই বিষয়ে তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনার পর পরিবার নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন এই বর্ষীয়ান নেতা। পরিস্থিতির কারণে তিনি নাতনিকে স্কুলেও পাঠাতে পারেননি বলে জানা গিয়েছে।এদিকে, ভোট শেষ হওয়ার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হিংসার অভিযোগ সামনে আসছে। তার মধ্যেই এই ঘটনা নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।সম্প্রতি হওয়া নির্বাচনে দীর্ঘদিন পর রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল ঘটেছে। বিপুল আসনে জয় পেয়ে সরকার গঠনের পথে রয়েছে বিজেপি। এই নির্বাচনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ নেতা পরাজিত হলেও বালিগঞ্জ কেন্দ্রে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।তিনি তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে এই কেন্দ্রে লড়াই করেছিলেন। প্রতিদ্বন্দ্বীদের থেকে অনেক বেশি ভোট পেয়ে তিনি জয়ী হন। তাঁর প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা এক লক্ষেরও বেশি। প্রতিপক্ষ প্রার্থীদের তুলনায় তিনি অনেক ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন।এই জয়ের পরই তাঁর বাড়িতে হামলার অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

মে ০৬, ২০২৬
রাজ্য

ঠাকুরনগরে গোপন বৈঠক! বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে দেখা তৃণমূল বিধায়ক মুকুটমনির

চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় মতুয়া সম্প্রদায়ের একাংশের নাম বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই ঘটনায় উদ্বেগে রয়েছেন বহু মতুয়া ভোটার। তাঁদের আশঙ্কা, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তারা ভোট দিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ একাধিকবার আশ্বাস দিলেও মতুয়া সমাজের মধ্যে সেই উদ্বেগ এখনও পুরোপুরি কাটেনি।এই পরিস্থিতির মধ্যেই রবিবার সন্ধ্যায় ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়িতে নতুন রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি হয়েছে। বনগাঁর বিজেপি সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে দেখা করতে যান রানাঘাট দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক মুকুটমনি অধিকারী। সূত্রের খবর, দুজনের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে একান্তে আলোচনা হয়। এই সাক্ষাৎকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।বিশেষ করে সামনে যখন বিধানসভা নির্বাচন, তখন এই বৈঠককে অনেকেই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন। প্রশ্ন উঠছে, এটি কি শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ, নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও রাজনৈতিক ইঙ্গিত।তবে বৈঠক শেষে মুকুটমনি অধিকারী দাবি করেন, এটি শুধুমাত্র সৌজন্য সাক্ষাৎ। তাঁর কথায়, তিন প্রজন্ম ধরে আমরা ঠাকুরবাড়িতে আসছি। এর আগেও বহুবার এসেছি। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। দলবদল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভোটের আগে নানা ধরনের জল্পনা তৈরি হয়, কিন্তু বাস্তবে তেমন কিছু নেই।অন্যদিকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরও বলেন, এই সাক্ষাৎ সম্পূর্ণ সৌজন্যমূলক। তাঁর দাবি, মুকুটমনি অধিকারী গাড়ির পুজো দিতে ঠাকুরবাড়িতে এসেছিলেন। দলবদল নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি বলেও জানান তিনি।তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই সাক্ষাৎ ভবিষ্যতে বড় কোনও রাজনৈতিক বার্তার ইঙ্গিত দিতে পারে। কারণ ভোটের আগে দলবদল বা নতুন সমীকরণ তৈরি হওয়া বঙ্গ রাজনীতিতে নতুন কিছু নয়।উল্লেখ্য, দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রানাঘাট দক্ষিণ আসন থেকে বিজেপির প্রার্থী হয়ে জয়ী হয়েছিলেন মুকুটমনি অধিকারী। পরে লোকসভা নির্বাচনের আগে তিনি দল বদলে তৃণমূলে যোগ দেন এবং রানাঘাট লোকসভা আসনে তৃণমূলের প্রার্থী হন। যদিও সেই নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন। এরপর তৃণমূলের টিকিটে রানাঘাট দক্ষিণ বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে জয়ী হন।

মার্চ ০৮, ২০২৬
রাজ্য

ডেডলাইন পেরোল, তবু এফআইআর নেই! কমিশনকে উল্টে হুঁশিয়ারি তৃণমূল বিধায়কের

নির্বাচন কমিশনের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা পেরিয়ে গিয়েছে। ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় কেটে গেলেও ফরাক্কার তৃণমূল বিধায়ক মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এখনও কোনও এফআইআর দায়ের হয়নি। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বহাল তবিয়তেই রয়েছেন তিনি। উল্টে প্রকাশ্য সভা থেকে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধেই এফআইআর করার হুঁশিয়ারি দিতে শোনা গিয়েছে তাঁকে।মনিরুল ইসলামের দাবি, এসআইআর সংক্রান্ত প্রক্রিয়ার জেরে বহু মানুষ সমস্যায় পড়েছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এই পরিস্থিতিতে একাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে, এমনকি আত্মহত্যার ঘটনাও ঘটেছে। তাই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধেই গণ এফআইআর হওয়া উচিত বলে তিনি দাবি করেন। মঞ্চ থেকে কমিশনকে কার্যত চোখরাঙান ফরাক্কার বিধায়ক।তবে প্রকাশ্যে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেও চিঠিতে সম্পূর্ণ ভিন্ন সুরে কথা বলেছেন মনিরুল ইসলাম। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর করার কথা উঠতেই তিনি নির্বাচন কমিশনের অধীনে থাকা ইআরও-কে একটি চিঠি পাঠান। সেই চিঠিতে তিনি লেখেন, তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং সংবিধান মেনেই কাজ করেন।উল্লেখ্য, গত ১৪ জানুয়ারি ফরাক্কার বিডিও অফিসে ব্যাপক অশান্তি ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। সেই সময় মঞ্চ থেকে মনিরুল ইসলাম বলেন, তাঁকে ভয় দেখিয়ে কোনও লাভ নেই। আদালত সকলের জন্যই খোলা আছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে গণহারে এফআইআর করার ডাকও দেন বিধায়ক।ফরাক্কার ঘটনা ঘিরেই রাজ্যে এসআইআর সংক্রান্ত অশান্তির সূত্রপাত বলে মনে করা হচ্ছে। এরপর চাকুলিয়া, সন্দেশখালি ১ নম্বর ব্লক, ইটাহার সহ একাধিক জায়গায় বিডিও অফিস ও শুনানি কেন্দ্রে ভাঙচুরের অভিযোগ সামনে এসেছে। ধীরে ধীরে এই অশান্তি রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ে।ফরাক্কার ঘটনার পর জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে সরাসরি মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপরেই নড়েচড়ে বসেন তৃণমূল বিধায়ক। চিঠিতে তিনি জানান, তাঁর বক্তব্যের উদ্দেশ্য কমিশনকে আঘাত করা নয়। বরং সাধারণ মানুষ যাতে তাঁদের ভোটাধিকার নিয়ে সমস্যায় না পড়েন, সেই বিষয়টি বোঝাতেই তিনি কথা বলেছেন। নিজের বক্তব্যের জন্য দুঃখপ্রকাশও করেছেন তিনি। এই চিঠি ইতিমধ্যেই জেলা নির্বাচন আধিকারিকের কাছে পাঠানো হয়েছে।এদিকে বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের অভিযোগ, ইচ্ছাকৃতভাবে ভয় দেখানো, ভাঙচুর ও অশান্তির পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, শুধুমাত্র এফআইআর করার নির্দেশ দিলেই চলবে না। নির্বাচন কমিশনকে সাংবিধানিক স্তরে কঠোর পদক্ষেপ করতে হবে।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৬
রাজ্য

SSC-এর 'অযোগ্য' তালিকায় তৃণমূলের দাপুটে বিধায়কের ছেলের বউয়ের নামও

শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি) প্রকাশ করেছে অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকা। শনিবার সন্ধ্যায় প্রকাশিত ওই তালিকায় নাম রয়েছে মোট ১৮০৪ জনের। তালিকা প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই নতুন করে চাপে পড়ল রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস।প্রকাশিত তালিকার ১২৬৯ নম্বরে রয়েছেন পানিহাটির তৃণমূল বিধায়ক তথা বিধানসভার মুখ্য সচেতক নির্মল ঘোষের পুত্রবধূ শম্পা ঘোষ। উত্তর চব্বিশ পরগনার নৈহাটির একটি স্কুলে শিক্ষকতা করতেন তিনি। তবে অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকায় নিজের নাম প্রকাশ পাওয়ার বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে কোনও মন্তব্য করতে চাননি শম্পা ঘোষ।এছাড়া, রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার কাউন্সিলর কুহেলি ঘোষের নামও রয়েছে অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকায়। তিনিও রাজপুরের এক স্কুলে শিক্ষকতার দায়িত্বে ছিলেন। শুধু তাঁরা নন, তালিকায় আরও আছেন পঞ্চায়েত থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্তরে দলীয় পদে থাকা নেতাদের আত্মীয়-স্বজন।এসএসসি জানিয়েছে, এই তালিকায় থাকা প্রার্থীদের মধ্যে অনেকে আবার নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আবেদন করেছিলেন। কমিশন তাঁদের আবেদনপত্র বাতিল করার পাশাপাশি অ্যাডমিট কার্ডও স্থগিত করেছে।রাজনৈতিক মহলের মতে, বিধানসভা ভোটের আগে শাসক দলের অস্বস্তি আরও বাড়ল এই তালিকা প্রকাশের ফলে। কারণ, অযোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে সাধারণ প্রার্থীদের পাশাপাশি শাসক দলের জনপ্রতিনিধি এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের নাম উঠে আসায় বিরোধীরা নতুন করে রাজনৈতিক অস্ত্র পেয়ে গেল।

আগস্ট ৩১, ২০২৫
রাজ্য

জমি দখলের চেষ্টা তৃণমূল বিধায়ক ঘনিষ্ঠের, জোট বেঁধে তাড়ালেন মহিলারা

আবারও তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে জোর করে জমি দখল করার অভিযোগ। এবার ঘটনাস্থল নরেন্দ্রপুর থানা এলাকার খেয়াদাহ এক গ্রাম পঞ্চায়েতের হরপুর এলাকার।অভিযোগ, সোনারপুর উত্তর বিধানসভার বিধায়ক ফিরদৌসী বেগমের ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা সঞ্জীব হালদারের বিরুদ্ধে। হরপুর এলাকায় জোর করে সরকারি ওয়েটল্যাণ্ড দখল করার অভিযোগ।পাট্টাভুক্ত দখলকারি জমি দখল করে রেস্টুরেন্টে বানানোর চেষ্টা করলে এলাকার মহিলারা সেখানে উপস্থিত হয়ে সেগুলি ভেঙে দেয়। এমনকি তৃণমূল নেতার সাগরেদদের সেখানে তাড়িয়ে দেয়। সেই ভিডিও সোস্যাল মিডিয়াতে ভাইরালও হয়েছে।শুধুমাত্র হরপুর নয় খেয়াদাহ এক গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বিভিন্ন জায়গায় এভাবেই সরকারি জমি দখল করে ওয়েটল্যাণ্ডে কংক্রিটের নির্মাণ চলছে। যা দেখে না দেখার ভান প্রশাসনের।চাষীরা নিজেদের জমি ফিরে পেতে চায়! তবে আদৌ কি তাঁরা জমি ফিরে পাবেন নাকি কোন এক অজ্ঞাত কারণে আবারও চলবে এই জমি দখল! বলবে সময়।

আগস্ট ১৬, ২০২৫
রাজ্য

TMC MLA: সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বিতর্কিত মন্তব্য করলেন তৃণমূল বিধায়ক

দুপয়সার প্রেস বলে সংবাদমাধ্যমকে অপমান করেছিলেন কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র।আর এবার সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে আপত্তিকর মন্তব্য করে বিতর্কে জড়ালেন বর্ধমান দক্ষিণের নবনির্বাচিত তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাস। তাঁর মন্তব্য নিয়ে ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে বর্ধমানের রাজনৈতিক মহলে। তৃণমূল বিধায়কের মন্তব্যের প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছে বিজেপি। আরও পড়ুনঃ বাংলা ভাগের ষড়যন্ত্র-র প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি বাংলা পক্ষরবর্ধমানের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে রবিবার তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে দুঃস্থদের খাদ্যসামগ্রী বিলির অনুষ্ঠান হয়। সেই অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে তৃণমূল বিধায়ক বলেন, এবারেও তৃণমূল কংগ্রেস সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়ে ক্ষমতায় এসেছে। আর একটা রাজনৈতিক দল সাংবাদিকদের মাধ্যমে টাকা দিয়ে, পয়সা ছড়িয়ে, মদের বোতল দিয়ে ভেবেছিল ওরা ক্ষমতা দখল করবে। এভাবে ক্ষমতা দখল করা যায় না। কারণ, বাংলার নেত্রী সব মানুষের মনে রয়েছেন। সাংবাদিকদের নিয়ে তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাসের করা এমন মন্তব্য নিয়েই নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। একদিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমস্ত জনসভা ও অনুষ্ঠান থেকে সংবাদমাধ্যমের প্রতি তাঁর সহানুভূতি উজার করে দেন। আর তাঁর দলের সাংসদ ও বিধায়করা কেন একের পর এক সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে কুৎসিত বক্তব্য ছুঁড়ে দিচ্ছেন তা নিয়ে অসন্তোষ সংবাদিকদের মধ্যে। এদিকে, তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাসের করা এদিনের মন্তব্য নিয়ে বিজেপির পূর্ব বর্ধমান জেলার সহ-সভাপতি প্রবাল রায় বলেন, সংবিধান মেনে চলার শপথ নেওয়া একজন বিধায়ক সংবাদমাধ্যমকে জড়িয়ে যে সব মন্তব্য করেছেন তা তীব্র নিন্দনীয়। এর পাশাপশি তিনি বলেন, সাংবাদিকদের বিজেপি গণতন্ত্রের একটা স্তম্ভ বলেই মনে করে। তাদের টাকা কিংবা মদের বোতল দিয়ে কেনবার কথা বিজেপির কেউ ভাবতেও পারে না। বরং বিধায়ক হওয়ার জন্য তৃণমূলের সদস্যরা কি পথ নিয়েছিলেন সেটা ওনারাই ভালো বলতে পারবেন। প্রবালবাবু আরও বলেন, গত বছর সাংসদ মহুয়া মৈত্র দুপয়সার প্রেস বলে সংবাদমাধ্যমকে অপমান করেছিলেন। আর এবার একইরকমভাবে সাংবাদিকদের অপমান করলেন বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়কের। এর বিরুদ্ধে সাংবাদিকদেরই গর্জে উঠতে হবে বলেই তিনি আবেদন করেন।

জুন ২৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

কাঞ্চনের বিরুদ্ধে এফআইআর স্ত্রী পিঙ্কির

কাঞ্চন-পিঙ্কির দাম্পত্য জীবন নিয়ে কানাঘুষো শোনা যাচ্ছিল বেশ কিছু দিন ধরেই। এ বার সরাসরি অভিনেতা তথা সদ্য বিজয়ী তৃণমূল বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিকের বিরুদ্ধে নিউ আলিপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করলেন তাঁর স্ত্রী পিঙ্কি। কাঞ্চনের বান্ধবী তথা অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজের বিরুদ্ধেও অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। পিঙ্কির অভিযোগ, তাঁকে মানসিক নির্যাতন করেছেন কাঞ্চন। মত্ত অবস্থায় গালিগালাজ করেছেন। শুধু তাই নয়, নিজের বান্ধবীকে সঙ্গে নিয়ে কাঞ্চন গাড়ি থেকে তাঁকে নামিয়ে হেনস্থা করেছেন বলেও অভিযোগ করেছেন পিঙ্কি।সংবাদমাধ্যমে পিঙ্কি জানিয়েছেন, শনিবার রাতে তাঁর নিউ আলিপুরের বাড়িতে হাজির হন কাঞ্চন। সেই সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। বাড়িতে তাঁকে না পেয়ে চেতলা থেকে ফেরার সময় তাঁর গাড়ি আটকান কাঞ্চন। সেই সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন বান্ধবী শ্রীময়ীও। দুজনে মিলে তাঁকে হেনস্থা করেন বলে অভিযোগ। গাড়ি থেকে তাঁকে টেনে নামানোর চেষ্টা হয়। শ্রীময়ীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে পিঙ্কি কেন সংবাদমাধ্যমে মুখ খুলছেন, তা নিয়ে তাঁকে চেপে ধরেন কাঞ্চন। অন্যদিকে, শ্রীময়ী বলেন, কার লেজে পা দিয়েছো জানো না।শ্রীময়ীর সঙ্গে কাঞ্চনের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই গুঞ্জন টলিপাড়ায়। এর আগে যদিও তাতে কর্ণপাত করতে চাননি পিঙ্কি। তবে রবিবার কাঞ্চনের পাশাপাশি শ্রীময়ীর নামেও পিঙ্কি অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে সূত্রের খবর। পিঙ্কির অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তাঁকে মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছেন কাঞ্চন। শনিবার মত্ত অবস্থায় তাঁকে গালিগালাজও করেন।কাঞ্চনের সঙ্গে সম্পর্কের গুঞ্জন এর আগে উড়িয়ে দিয়েছিলেন শ্রীময়ী। পিঙ্কি কেন তাঁর নামে অভিযোগ করলেন, তা নিয়ে রবিবার বিকেলে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মুখ খোলেননি তিনি। এ নিয়ে কাঞ্চনও কোনও বিবৃতি দেননি।

জুন ২০, ২০২১
রাজ্য

CoronaVirus: প্রয়াত গোসাবার তৃণমূল বিধায়ক জয়ন্ত নস্কর

কোভিড পরবর্তী প্রয়াত গোসাবার তৃণমূল বিধায়ক জয়ন্ত নস্কর। শনিবার রাত ৮.৪০ মিনিট নাগাদ তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৩। তার মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।Heartfelt condolences to the family supporters of Jayanta Naskar. Deeply pained at this colossal loss.As a 3-time MLA from Gosaba, he had dedicated his life towards serving people was always with us through our many struggles. He will be remembered dearly. Mamata Banerjee (@MamataOfficial) June 19, 2021মাসখানেক আগেই কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন জয়ন্ত নস্কর। প্রথমে তাঁকে এমআর বাঙুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখান থেকে পরে নিয়ে যাওয়ায় হয় মধ্য কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে। এক মাসের বেশি সময় ধরে তাঁর চিকিৎসা চলছিল সেখানে। কোভিড মুক্ত হলেও শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়নি। কোভিড পরবর্তী চিকিৎসা চলছিল জয়ন্ত নস্করের। সুন্দরবনের গোসাবা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তিন বার বিধায়ক পদে জিতেছেন অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক জয়ন্ত নস্কর। রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে কংগ্রেসে ছিলেন তিনি। পরে তৃণমূলের জন্মলগ্নেই ওই দলে যোগদান করেন তিনি। বাসন্তির চুনাখালি গ্রামে তাঁর জন্ম। পরিবারে রয়েছেন স্ত্রী-সহ দুই ছেলে এবং তিন মেয়ে।

জুন ১৯, ২০২১
রাজনীতি

বিজেপিতে যোগদান মেলা, গেরুয়া শিবিরে ৫ তৃণমূল বিধায়ক

অভিনেত্রী তনুশ্রী চক্রবর্তী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একসময়ের সঙ্গী সোনালি গুহ, তৃণমূলের হবিবপুরের প্রার্থী সরলা মুর্মু যোগ দিলেন বিজেপিতে। পদ্ম পতাকা হাতে নিয়েছেন সিঙ্গুরের মাস্টারমশাই বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য, শিবপুরের তৃণমূল বিধায়ক জটু লাহিড়ি, সাঁকরাইলের বিধায়ক শীতল সর্দার। সোমবার দুপুরে হেস্টিংসে বিজেপির নির্বাচনী অফিসে রীতিমতো যোগদান মেলা। সবমিলিয়ে তৃণমূলের ৫ বিধায়ক একইদিনে সামিল হলেন বিজেপিতে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের ছায়াসঙ্গী ছিলেন সোনালি গুহ । বিধানসভার প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার তথা সাতগাছিয়ার বিধায়ককে এবার প্রার্থী করেননি তৃণমূল নেত্রী । ক্ষোভ গোপন রাখেননি সোনালি। ফোন করেন মুকুল রায়কে। অভিমানে তৃণমূল ত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান তিনি। সোনালি এ দিন আনুষ্ঠানিকভাবে ঘাসফুল ছেড়ে পদ্মফুলে এলেন। সরলা মুর্মুকে মালদহের হবিবপুরে প্রার্থী করেছিল তৃণমূল । তিনি বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছে জানতে পেরে অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে প্রার্থী বদল করে তৃণমূল। হবিবপুরে প্রার্থী হয়েছেন প্রদীপ বাস্কে। অভিনেত্রী তনুশ্রী চক্রবর্তী বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছিল। সেই জনশ্রুতি সত্যি হল আজ। সোনালি, সরলার সঙ্গে পদ্ম শিবিরে সামিল হলেন তিনি। সিঙ্গুরের চারবারের বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থীতালিকা ঘোষণার সময় জানিয়েছিলেন, করোনার কারণে আশির ঊর্ধ্বে কাউকে টিকিট দেওয়া হচ্ছে না। বাদ পড়েন মাস্টারমশাই ও শিবপুরের বিধায়ক জটু লাহিড়ি। তাঁরা এ দিন নাম লেখালেন বিজেপিতে। বসিরহাট দক্ষিণের বিধায়ক দীপেন্দু বিশ্বাসকে এবার আর প্রার্থী করেনি তৃণমূল। তিনিও শিবির বদল করলেন। বিজেপিতে এলেন সাঁকরাইলের বিধায়ক শীতল সর্দার।

মার্চ ০৯, ২০২১
কলকাতা

তৃণমূল বিধায়কের দেওয়াল লিখন ঘিরে জটিলতা

দলের তরফে প্রার্থী ঘোষণা হয়নি এখনও। ঘোষণা হয়নি নির্বাচনের দিনক্ষণও। তার আগেই হাওড়ার শিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের বর্তমান বিধায়ক জটু লাহিড়ীর সমর্থনে দেওয়াল লিখন শুরু হয়ে গিয়েছে। আজ সকালেই ওই দেওয়াল লিখন চোখে পড়েছে। দেওয়ালে লেখা রয়েছে, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে শিবপুর কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী জটু লাহিড়ীকে ঘাসের উপর জোড়াফুল চিহ্নে ভোট দিন। দেওয়ালে ঘাসফুল প্রতীক আঁকা রয়েছে। দলের প্রার্থীদের নাম ঘোষণার আগেই এভাবে একতরফাভাবে জটু লাহিড়ীর সমর্থনে দেওয়াল লিখন নিয়ে কার্যতই দলের অন্দরে অস্বস্তি বেড়েছে। এ বিষয়ে দলের সদরের চেয়ারম্যান অরূপ রায় জানিয়েছেন, বিষয়টি দল দেখবে।উল্লেখ্য, এর আগে সোমবার সন্ধ্যায় হাওড়ায় নিজের কেন্দ্রে এক সাংবাদিক বৈঠকে দলের ঘোষণার আগেই আসন্ন বিধানসভায় প্রার্থী হিসাবে নিজের নাম ঘোষণা করে ফেলেন শিবপুরের বিধায়ক জটু লাহিড়ী। এর একদিনের মধ্যেই জটু লাহিড়ীর সমর্থনে দেওয়াল লিখন শুরু হয়ে যায়। সোমবারের সাংবাদিক ভোট কুশলী পিকের কটাক্ষ করেন তিনি। জটু লাহিড়ী বলেন, জেলা নেতৃত্ব যা বলবে তাই করব। আর কারও কথায় দলীয় কাজ করব না।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২১
রাজ্য

মালদায় তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে দুষ্কৃতী হামলা

ইংরেজবাজারের তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে সশস্ত্র দুষ্কৃতীর হামলা। ভাঙচুর করা হলো বিধায়কের বাড়ির আসবাবপত্র এবং অফিস ঘরের যাবতীয় সামগ্রী । আর এই ঘটনায় নাম জড়িয়েছে প্রাক্তন মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী এবং তৃণমূলের জেলার যুব সভাপতি প্রসেনজিৎ দাসের। এই দুইজনের বিরুদ্ধে সরাসরি সশস্ত্র দুষ্কৃতী নিয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূল বিধায়ক নিহার ঘোষ । সোমবার রাত ১১ টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে মালদা শহরের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের বেলতলা এলাকায় । সেখানে রয়েছে তৃণমূল বিধায়ক নিহার ঘোষের বাড়ি এবং দলীয় কার্যালয় । গভীর রাতে সশস্ত্র দুষ্কৃতী দল অতর্কিতে বিধায়কের বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর করে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। বিধায়ক নিহার ঘোষ এবং তার স্ত্রী তথা ইংরেজবাজার পুরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলার গায়ত্রী ঘোষের অভিযোগ, প্রাক্তন মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী এবং তৃণমূলের জেলা যুব সভাপতি প্রসেনজিৎ দাসের নেতৃত্বে এদিন তাদের বাড়িতেই বাঁশ,লাঠি, হাঁসুয়া নিয়ে সশস্ত্র দুষ্কৃতীরা হামলা চালিয়েছে। ভাঙচুর করা হয়েছে সমস্ত আসবাবপত্র । এমনকী, বাড়িতে ঢুকে তাদেরকে কুপিয়ে খুনের চেষ্টা চালানো হয় বলে অভিযোগ।এদিকে রাতে এই গোলমালের ঘটনায় রীতিমতো উত্তেজনা তৈরি হয় মালদা শহরে বিনয় সরকার রোড সংলগ্ন বেলতলা এলাকায় । খবর পেয়ে ইংরেজবাজার থানার আইসি মদন মোহন রায়ের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয় । ততক্ষণে দুষ্কৃতীরা তাণ্ডব চালিয়ে এলাকা থেকে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। পুরো ঘটনার ব্যাপারে বিধায়ক নিহার ঘোষ এবং তার স্ত্রী গায়ত্রী ঘোষ সংশ্লিষ্ট থানায় লিখিত অভিযোগ জানানোর কথা রাতেই জানিয়েছেন।বিধায়ক নিহার ঘোষের অভিযোগ, কিছুদিন আগে তাঁর পিতৃবিয়োগ হয়েছে।এনিয়ে তিনি শোকার্ত। কিন্তু এদিন হঠাৎ করে প্রাক্তন মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী এবং তৃণমূলের জেলা যুব সভাপতি প্রসেনজিৎ দাসের নেতৃত্বে তাঁর বাড়িতে একশোরও বেশি দুষ্কৃতী নিয়ে হামলা চালানো হয় । ওরা বাড়িতে ঢুকে চেয়ার, টেবিল সমস্ত জিনিস ভাঙচুর করে । ইংরেজবাজার থানার আইসি মদনমোহন রায় জানিয়েছেন, বিধায়কের বাড়িতে হামলার খবর শোনার পরই তদন্ত করা হয়েছে। আমাদের খুব খারাপ লাগছে কিছুদিন আগেই বিধায়কের বাবা প্রয়াত হয়েছেন। উনি এমনি মর্মাহত রয়েছেন। তারপরেই এই হামলা ঘটনা কারা চালিয়েছে, সেটি আমরা তদন্ত করে দেখছি। একটি সিসিটিভির ফুটেজ পাওয়া গিয়েছে। সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২১

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

কমনওয়েলথ গেমসের দলে নীরজ, তবে কি এখনও পুরোপুরি ফিট নন অলিম্পিক সোনাজয়ী তারকা?

চোট কাটিয়ে মাঠে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ভারতের তারকা জ্যাভলিন নিক্ষেপক নীরজ চোপড়া। তাঁকে শর্তসাপেক্ষে কমনওয়েলথ গেমসের জন্য ঘোষিত ৩২ সদস্যের ভারতীয় অ্যাথলেটিক্স দলে রাখা হয়েছে। রবিবার দল ঘোষণা করেছে ভারতীয় অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন। তবে নীরজকে শর্তসাপেক্ষে দলে রাখার সিদ্ধান্ত ঘিরে ক্রীড়ামহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অনেকেরই কৌতূহল, অলিম্পিক সোনাজয়ী এই তারকা কি এখনও পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠতে পারেননি?এবারের দলে রয়েছেন দেশের একাধিক তারকা অ্যাথলিট। সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় রেকর্ড নিয়ে আলোচনায় থাকা স্প্রিন্টার গুরিন্দরবীর সিং এবং অনিমেষ কুজুরের পাশাপাশি সুযোগ পেয়েছেন তেজস্বিন শঙ্কর, তাজিন্দরপাল সিং তুর এবং সর্বেশ কুশারের মতো অভিজ্ঞ ক্রীড়াবিদরাও।গত মে মাসে রাঁচিতে আয়োজিত ফেডারেশন কাপে বেশ কয়েকজন ভারতীয় অ্যাথলিট দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে কমনওয়েলথ গেমসের যোগ্যতা অর্জন করেন। তবে পুরুষদের চার গুণ একশো মিটার রিলে দলটি সুযোগ হাতছাড়া করে। বিশ্ব রিলে প্রতিযোগিতায় ব্যাটন বদলের সময় দুর্ঘটনার জেরে ভারতীয় দল অযোগ্য ঘোষিত হয়েছিল। যদিও পরে তারা ঘুরে দাঁড়িয়ে ভালো সময় করলেও শেষ পর্যন্ত যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি।জ্যাভলিন বিভাগে নির্ধারিত মান পূরণ করতে না পারা অ্যাথলিটদের জন্য গত ১৩ জুন জলন্ধরে অতিরিক্ত বাছাইপর্বের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে রোহিত যাদব এবং যশবীর সিং নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স করে যোগ্যতা অর্জন করেন। দুজনেই নির্ধারিত দূরত্বের বেশি জ্যাভলিন ছুড়ে নজর কাড়েন।ফেডারেশন সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে সুইজারল্যান্ডে চিকিৎসা ও পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন নীরজ। গত বছর দোহা ডায়মন্ড লিগে প্রথমবার নব্বই মিটারের গণ্ডি পেরনোর পর থেকেই তিনি পিঠের চোটে ভুগছিলেন। তবে ফেডারেশনের দাবি, নীরজ অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছেন এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই প্রতিযোগিতায় ফিরতে পারেন।ফেডারেশনের আশা, কমনওয়েলথ গেমস শুরুর আগে নীরজ প্রয়োজনীয় প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে যোগ্যতার সব শর্ত পূরণ করতে পারবেন। তাই তাঁকে দলে রাখা হয়েছে শর্তসাপেক্ষে।এদিকে ট্রিপল জাম্পার সেলভা প্রভুকেও বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সম্প্রতি তিনি একটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সোনা জিতে নির্ধারিত যোগ্যতা মান অতিক্রম করেছেন। ফলে তাঁকেও নিয়ে আশাবাদী ভারতীয় অ্যাথলেটিক্স মহল।এখন সকলের নজর কমনওয়েলথ গেমসের দিকে। নীরজ চোপড়া কত দ্রুত প্রতিযোগিতায় ফিরতে পারেন এবং ভারতীয় অ্যাথলিটরা কতটা সফল হন, সেটাই দেখার।

জুন ১৪, ২০২৬
কলকাতা

‘ওনার কাছ থেকে কোনও উপহার চাই না’, মমতার দেওয়া গয়না ফিরিয়ে দেওয়ার ঘোষণা সাংসদপুত্রের

তৃণমূলের অন্দরের রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই নতুন বিতর্ক সামনে এল। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া সোনার গয়না ও পুজোর উপহার ফেরানোর সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ্যে জানালেন সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ছেলে বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার। সামাজিক মাধ্যমে করা এক পোস্টে তিনি জানান, বিয়ের সময় তাঁর স্ত্রীকে দেওয়া সোনার হার এবং তাঁকে দেওয়া পুজোর পোশাক ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা।বৈদ্যনাথ তাঁর পোস্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, ব্যক্তিগত কিছু কারণেই এই উপহারগুলি ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি লেখেন, এই সৌজন্যের জন্য তিনি কৃতজ্ঞ হলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে উপহারগুলি আর নিজেদের কাছে রাখতে চান না।ছেলের এই সিদ্ধান্তকে প্রকাশ্যে সমর্থন করেছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদারও। সামাজিক মাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ছেলে ও পুত্রবধূর সিদ্ধান্তে তিনি গর্বিত।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব। কাকলি ঘোষ দস্তিদার দীর্ঘদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে তাঁদের সম্পর্কের অবনতি প্রকাশ্যে এসেছে। রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তনের পর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে দূরত্ব বাড়তে থাকে বলে মনে করা হচ্ছে।কিছু দিন আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাম না করে এক সাংসদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিলেন যে, তিনি নিজের ছেলের জন্য দলের টিকিট চেয়েছিলেন। সেই দাবি পূরণ না হওয়ায় তিনি অন্য রাজনৈতিক শিবিরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়েছেন বলেও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। পরে দলের আরও কয়েকজন নেতার মুখেও একই ধরনের বক্তব্য শোনা যায়। এই মন্তব্যেই ক্ষুব্ধ হয়েছেন বৈদ্যনাথ, এমনটাই মনে করা হচ্ছে।সামাজিক মাধ্যমে তিনি আরও জানান, খুব শীঘ্রই কালীঘাটে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে ওই উপহারগুলি ফেরত দিয়ে আসবেন। এমনকি সোনার হার দীর্ঘদিন তাঁদের কাছে থাকার কারণে যদি কোনও অতিরিক্ত অর্থ বা সুদ দেওয়ার প্রয়োজন হয়, তাতেও তিনি প্রস্তুত বলে দাবি করেছেন।এখানেই থামেননি বৈদ্যনাথ। তাঁর অভিযোগ, পরিবারকে নিয়ে কটূক্তি করা হয়েছে। সেই কারণে সোমবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের দুই সাংসদের বিরুদ্ধে আইনি নোটিস পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মন্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা না চাইলে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথাও জানিয়েছেন।এই ঘটনার পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের অন্দরের বিরোধ এবং সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর সকলের।

জুন ১৪, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতা পুরসভায় শুভেন্দুর বড় কর্মসূচি, আমন্ত্রণ পেলেন তৃণমূল-বাম-কংগ্রেসের প্রাক্তন কাউন্সিলররাও

সোমবার কলকাতা পুরসভায় বিশেষ কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর হাত ধরেই মহানগর জুড়ে শুরু হতে চলেছে স্বচ্ছতাকে স্বাগত শীর্ষক বিশেষ সাফাই অভিযান। এই কর্মসূচিকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই অনুষ্ঠানে শুধু শাসক দলের প্রতিনিধিরাই নন, আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে তৃণমূল, বামফ্রন্ট, কংগ্রেস এবং বিজেপি-সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সদ্য প্রাক্তন কাউন্সিলরদেরও। পাশাপাশি কলকাতার সমস্ত বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়কদেরও অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।রাজ্যের প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী দলের বিধায়ক ও সাংসদদের আমন্ত্রণ জানানোর রীতি আগেও দেখা গিয়েছে। তবে কলকাতা পুরসভার সদ্য প্রাক্তন কাউন্সিলরদের এভাবে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানোর ঘটনা এই প্রথম বলে মনে করা হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এর মাধ্যমে সৌজন্য ও সহযোগিতার বার্তা দিতে চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।সূত্রের খবর, প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম, দেবাশিস কুমার, অসীম বসু-সহ পুরসভার একাধিক প্রাক্তন মেয়র পারিষদ এই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকতে পারেন। যদিও ফিরহাদ হাকিমের পদত্যাগের পর বিকল্প মেয়র নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় যাঁরা সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন, তাঁদের অনেকেই এই অনুষ্ঠানে যোগ নাও দিতে পারেন বলে জানা গিয়েছে।উল্লেখ্য, আগামী ২১ জুন রাজ্যে বিশ্ব যোগ দিবস উপলক্ষে একটি বড় কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। রেড রোডের মূল অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। তার আগে কলকাতাকে আরও পরিচ্ছন্ন করে তুলতে শহর জুড়ে ছয় দিনের বিশেষ সাফাই অভিযান শুরু করছে প্রশাসন।এই অভিযানের উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অনুষ্ঠানকে ঘিরে গত কয়েক দিন ধরেই কলকাতা পুরসভায় ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। রবিবার ছুটির দিন হলেও পুরসভার কমিশনার ও প্রশাসক স্মিতা পাণ্ডে-সহ প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ আধিকারিক পুরভবনে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি তদারকি করেছেন বলে সূত্রের খবর।

জুন ১৪, ২০২৬
রাজ্য

অন্নপূর্ণার টাকা মিলেছে, এবার কবে যুবশক্তি? মালদহ থেকে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই সাধারণ মানুষের মধ্যে একাধিক সরকারি প্রকল্প নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, যুবশক্তি এবং বার্ধক্য ভাতা প্রকল্প আদৌ চালু হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল বিভিন্ন মহলে। এর মধ্যেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা ইতিমধ্যেই বহু উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে গিয়েছে। তবে যুবশক্তি ও বার্ধক্য ভাতা প্রকল্প এখনও চালু না হওয়ায় অপেক্ষায় রয়েছেন অনেকেই।এই পরিস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার মালদহের এক সভা থেকে তিনি জানান, অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ইতিমধ্যেই উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে জমা পড়তে শুরু করেছে। তাঁর দাবি, প্রায় ৫০ লক্ষ মানুষ ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন।এরপর যুবশক্তি ও বার্ধক্য ভাতা প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই দুই প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে। খুব শীঘ্রই বেকার ভাতা চালু করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর প্রকল্প দুটির সুবিধাপ্রার্থীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বাজেটে বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য যুবসাথী প্রকল্প চালু করা হয়েছিল। সেই প্রকল্পের আওতায় প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে দেওয়া হত। পরে নির্বাচনের আগে বিজেপি প্রতিশ্রুতি দেয়, ক্ষমতায় এলে যুবশক্তি প্রকল্পের মাধ্যমে বেকারদের মাসে তিন হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি যাঁরা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাঁদের এককালীন ১৫ হাজার টাকা দেওয়ার কথাও ঘোষণা করা হয়েছিল।সরকারি সূত্রে ইঙ্গিত, প্রকল্প চালুর আগে উপভোক্তাদের তালিকা খতিয়ে দেখা হবে। যোগ্য ব্যক্তিরাই যাতে সুবিধা পান, তা নিশ্চিত করতেই যাচাই প্রক্রিয়ার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ফলে যুবশক্তি প্রকল্প চালু হওয়ার আগে আবেদন ও যাচাই সংক্রান্ত নিয়মাবলি নিয়েও শীঘ্রই বিস্তারিত ঘোষণা আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুন ১৪, ২০২৬
দেশ

স্পিকারের দরজায় অভিষেকের চিঠি! বিদ্রোহী সাংসদদের বড় পরিকল্পনার আগেই দিল্লিতে তৃণমূলের পাল্টা চাল

দিল্লিতে তৃণমূলের অন্দরের রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও তীব্র হল। সূত্রের খবর, আজই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে আলাদা ব্লক গঠনের আবেদন জানাতে পারেন তৃণমূলের একাংশ সাংসদ। তার আগেই দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি চিঠি নিয়ে স্পিকারের দিল্লির বাসভবনে পৌঁছলেন তৃণমূল সাংসদ সাগরিকা ঘোষ ও কীর্তি আজাদ।জানা গিয়েছে, তিন পাতার ওই চিঠি আগেই ই-মেলের মাধ্যমে স্পিকারের কাছে পাঠানো হয়েছিল। রবিবার সাগরিকা ও কীর্তি সরাসরি স্পিকারের হাতে সেই চিঠি তুলে দেন। চিঠিতে অভিষেকের আবেদন, তৃণমূলের কোনও বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে যেন আলাদা স্বীকৃতি না দেওয়া হয়। তাঁর দাবি, এমন পদক্ষেপের কোনও সাংবিধানিক বা আইনি ভিত্তি নেই।স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাতের পর কীর্তি আজাদ বলেন, সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চের রায়ে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, কোনও রাজনৈতিক দলের মধ্যে বিভাজনকে স্বীকৃতি দেওয়া যায় না। মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়া প্রয়োজন। তাঁর আশা, আইন ও সংবিধান মেনেই সিদ্ধান্ত নেবেন স্পিকার।অন্যদিকে, সাগরিকা ঘোষের বক্তব্য, লোকসভার মধ্যে তৃণমূলের সাংসদদের নিয়ে আলাদা ব্লক তৈরির উদ্যোগ সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক। এর কোনও আইনি বৈধতা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।এ দিন দিল্লিতে একজোট হন বিদ্রোহী শিবিরের সাংসদরা। সূত্রের দাবি, প্রায় কুড়ি জন সাংসদ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে বৈঠক করেন। এরপর তাঁদের স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করার কথা রয়েছে। রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, তাঁরা আলাদা ব্লক গঠন করে এনডিএকে সমর্থনের আবেদন জানাতে পারেন।এই পরিস্থিতিতেই স্পিকারের কাছে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, তৃণমূলের কোনও বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে স্বীকৃতি দেওয়া হলে তা আইন ও সংবিধানের পরিপন্থী হবে। ফলে স্পিকার কী সিদ্ধান্ত নেন, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মাঠে নামেননি নেইমার, তবু ব্রাজিলের গোলের নেপথ্যে তিনিই! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তুমুল চর্চা

চোটের কারণে মরক্কোর বিরুদ্ধে ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচে খেলতে পারেননি নেইমার। শুধু তাই নয়, তিনি রিজার্ভ বেঞ্চেও ছিলেন না। তবু ম্যাচের অন্যতম আলোচিত চরিত্র হয়ে উঠেছেন ব্রাজিলের এই তারকা ফুটবলার। একটি ভাইরাল ভিডিও ঘিরে এখন ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের দাবি, মাঠে না নেমেও ব্রাজিলের গুরুত্বপূর্ণ গোলের নেপথ্যে ছিলেন নেইমারই।বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ব্রাজিলকে খুব একটা ছন্দে দেখা যায়নি। ম্যাচের ২১ মিনিটে ইসমাইল সাইবারির গোলে এগিয়ে যায় মরক্কো। পিছিয়ে পড়ার পর ব্রাজিল চাপে পড়ে গেলেও ৩২ মিনিটে সমতা ফেরান ভিনিসিয়াস জুনিয়র। বাঁদিক থেকে ব্রুনো গিমারেসের পাস পেয়ে বক্সে ঢুকে দুর্দান্ত শটে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি। গোলরক্ষক ইয়াসির বোনোর কিছুই করার ছিল না।তবে গোলের পর থেকেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসে একটি ভিডিও। সেখানে দেখা যায়, প্রথমার্ধে জলপান বিরতির সময় মাঠের ধারে এসে ভিনিসিয়াসের সঙ্গে কথা বলছেন নেইমার। কিছুক্ষণ পরে ব্রুনো গিমারেসকেও ডেকে পরামর্শ দিতে দেখা যায় তাঁকে। ভিডিও দেখে অনেকের ধারণা, ভিনিসিয়াসকে আরও বেশি করে বক্সের ভিতরে ঢুকে খেলার পরামর্শ দিয়েছিলেন নেইমার। কারণ ম্যাচের শুরুতে ব্রাজিলের এই ফরোয়ার্ডকে তুলনামূলকভাবে অনেকটাই বাইরে খেলতে দেখা গিয়েছিল।মজার বিষয় হল, সেই কথোপকথনের কিছুক্ষণ পরেই গিমারেসের পাস থেকে গোল করেন ভিনিসিয়াস। আর সেই কারণেই সামাজিক মাধ্যমে অনেক সমর্থক দাবি করছেন, মাঠের বাইরে থেকেও ব্রাজিলের আক্রমণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন নেইমার।যদিও এই ম্যাচে খেলেননি তিনি, তবে পরের ম্যাচে নেইমারকে দেখা যেতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। যদিও তিনি প্রথম একাদশে থাকবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।মরক্কোর বিরুদ্ধে ব্রাজিলের পারফরম্যান্স নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অনেক সমর্থকের মতে, দলটিকে একেবারেই চেনা ব্রাজিলের মতো লাগেনি। রাফিনহাদের খেলায় ধার ও গতি দুটোরই অভাব ছিল। অন্যদিকে মরক্কো আবারও প্রমাণ করেছে, সাম্প্রতিক সময়ে কেন তারা বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ফুটবল দল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে।

জুন ১৪, ২০২৬
কলকাতা

ভবানী ভবনে মুখোমুখি অভিষেক-কুণাল! সাড়ে তিন ঘণ্টার জেরা ঘিরে বাড়ছে রহস্য

সই জাল কাণ্ডের তদন্তে নতুন মোড়। রবিবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের নেতা কুণাল ঘোষকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করল সিআইডি। প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা জেরার পর ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে আসেন কুণাল ঘোষ। বেরিয়ে তিনি জানান, তদন্তে তিনি সব ধরনের সহযোগিতা করেছেন। তবে জিজ্ঞাসাবাদ নিয়ে এর বেশি কিছু বলতে চাননি।অন্যদিকে, রাত পর্যন্ত ভবানী ভবনেই ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, টানা প্রায় আট ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, এই মামলায় গত বৃহস্পতিবারও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দীর্ঘ সময় ধরে জেরা করেছিল সিআইডি। তদন্তকারী সূত্রে খবর, সেই জিজ্ঞাসাবাদে একাধিক প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর মেলেনি বলেই রবিবার তাঁকে ফের তলব করা হয়। দুপুর বারোটার মধ্যে হাজিরার নির্দেশ থাকলেও নির্ধারিত সময়ের আগেই ভবানী ভবনে পৌঁছে যান অভিষেক। এরপর বিভিন্ন নথি সামনে রেখে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন তদন্তকারীরা।দুপুর সাড়ে তিনটার কিছু পরে ভবানী ভবনে পৌঁছন কুণাল ঘোষ। সূত্রের দাবি, প্রথমে দুজনকে আলাদা করে জেরা করা হয়। পরে অভিষেক ও কুণালকে মুখোমুখি বসিয়ে একাধিক বিষয়ে প্রশ্ন করেন সিআইডি আধিকারিকরা। সেই জেরাই চলে দীর্ঘ সময় ধরে।জিজ্ঞাসাবাদ শেষ করে ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে কুণাল ঘোষ সরাসরি কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান। যদিও সেখানে যাওয়ার কারণ নিয়ে তিনি প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি।সই জাল কাণ্ডকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে অন্তর্বর্তী সুরক্ষা দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। এর আগে তদন্তের সূত্রে সিআইডি আধিকারিকরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনের পাশের দফতরেও তল্লাশি চালিয়েছিলেন। ফলে এই মামলার তদন্ত কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১৪, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে বড় শক্তিপ্রদর্শন! ওম বিড়লার বাড়িতে ১৭ সাংসদ, তৃণমূলের অন্দরে বাড়ছে জল্পনা

দিল্লির রাজনৈতিক পরিস্থিতি রবিবার আরও নাটকীয় হয়ে উঠল। বিকেলে তৃণমূলের দুই সাংসদ সাগরিকা ঘোষ ও কীর্তি আজাদ লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বাসভবন থেকে বেরিয়ে আসার কিছুক্ষণ পরই সেখানে পৌঁছন বিক্ষুব্ধ সাংসদরা। পরে সামনে আসে একটি ছবি, যেখানে তৃণমূলের ১৭ জন বিক্ষুব্ধ সাংসদকে একসঙ্গে দেখা যায়। তাঁদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবেও।সূত্রের খবর, সোমবার লোকসভার স্পিকারের কাছে নতুন ব্লক গঠনের দাবি জানাতে পারেন বিক্ষুব্ধ সাংসদরা। তাঁদের দাবি, তৃণমূলের দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি সাংসদ তাঁদের পাশে রয়েছেন। সেই দাবিকে সামনে রেখেই তাঁরা নতুন রাজনৈতিক পদক্ষেপের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জল্পনা রাজনৈতিক মহলে।রবিবার সকাল থেকেই একের পর এক সাংসদ দিল্লিতে পৌঁছতে শুরু করেন। তৃণমূলের প্রবীণ সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, বিক্ষুব্ধ সাংসদরা এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজেদের উপদেষ্টা হিসেবে দেখতে চান। সেই কারণেই তিনি তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন বলে জানান।অন্যদিকে, বিদ্রোহী শিবির স্পিকারের বাসভবনে পৌঁছনোর আগেই সেখানে যান তৃণমূলের লোকসভার সাংসদ কীর্তি আজাদ এবং রাজ্যসভার সাংসদ সাগরিকা ঘোষ। যদিও স্পিকারের সঙ্গে তাঁদের সরাসরি সাক্ষাৎ হয়নি। তাঁরা স্পিকারের দফতরে তৃণমূলের লোকসভার নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি চিঠি জমা দেন। সেই চিঠিতে দাবি করা হয়, লোকসভায় একটি রাজনৈতিক দলের দুটি পৃথক ব্লক থাকতে পারে না।এর কিছুক্ষণ পরই বিক্ষুব্ধ সাংসদরা স্পিকারের বাসভবনে পৌঁছন। যে ছবি সামনে এসেছে, সেখানে কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, সায়নী ঘোষ, মালা রায়, অরূপ চক্রবর্তী, দীপক অধিকারী, ইউসুফ পাঠান, জুন মালিয়া, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, শর্মিলা সরকার এবং মিতালি বাগ-সহ মোট ১৭ জন সাংসদকে দেখা গিয়েছে। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে।এই ছবি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরের সমীকরণ নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। এখন সকলের নজর সোমবারের দিকে। স্পিকারের কাছে বিক্ষুব্ধ সাংসদরা কী দাবি জানান এবং তার পরবর্তী রাজনৈতিক প্রভাব কী হয়, তা নিয়েই তুঙ্গে আলোচনা।

জুন ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal